Breaking News

আইপিএলে বাংলাদেশের নতুন যে ৪ জন দল পেতে পারেন

ব্যাট-বলের লড়াইয়ে একটা সময় টেস্ট ক্রিকেট এবং ওয়ানডে ফরম্যাটের দৌরাত্ম থাকলেও সেটা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে বিগত কিছু বছর যাবত।

মূলত ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-২০ ফরম্যাটের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হওয়াতে এখন ক্রিকেটাররাও ঝুঁকছেন টি-২০ ফরম্যাটের এই আসরগুলোর দিকে।

ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-২০ ফরম্যাটের অন্যতম হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল। বিশ্বের সব তারকা ক্রিকেটারদের পদচারনায় আলাদা মাত্রা যোগ করে এই টুর্নামেন্টে। যদিও বাংলাদেশ থেকে খুব বেশি ক্রিকেটার এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পান না।

আইপিএলের প্রথম আসরে খেলেছিলেন মাশরফি-রাজ্জাকরা। তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে তারা পড়েছেন বাদের কাতারে। অন্যদিকে দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল আইপিএলে ডাক পেলেও খেলা হয়নি তার।

দেশের অন্য ক্রিকেটারদের আইপিএল ক্যারিয়ারের যখন এই দশা তখন বাজিমাত করে আসছেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান।আইপিএলের নিয়মিত সদস্য সাকিব অবশ্য গত আসর মিস করেছিলেন নিষেধাজ্ঞায় থাকার কারনে।

মুস্তাফিজকে গত আসরে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি চাইলেও শেষ পর্যন্ত তাকে খেলার অনুমতি দেয়নি বোর্ড। তবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে কাটার মাস্টারের।

আইপিএলে বর্তমানে ৮টি দল থাকলেও সেটার সংখ্যা বেরে হচ্ছে ১০টি। ফলে টাইগার ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণও বাড়তে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। যদি বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেটারদের কেনা হয় তাহলে সেই তালিকায় কারা থাকতে পারেন সেটা এবার দেখে নেয়া যাক।

লিটন কুমার দাসঃ

বাংলাদেশের জার্সিতে টি-২০ ফরম্যাটে অন্যতম ভরসার নাম লিটন কুমার দাস। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান সদ্য সমাপ্ত বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে দ্রুত রান তুলতে সক্ষম লিটন। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও লিটনের বেশ সুনাম রয়েছে ব্যাট হাতে।

শুধু তাই নয় গ্লাভস হাতেও উইকেটের পেছনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারেন এই ব্যাটসম্যান। ফলে তার কাছ থেকে বাড়তি সার্ভিস পাবে ফ্র্যাঞ্চাইজি। এখন পর্যন্ত টি-২০ ক্রিকেটে লিটন খেলেছেন ১০৬টি ইনিংস। ১২৭.১৭ স্ট্রাইক রেটে লিটনের নামের পাশে রয়েছে ২৩৪০ রান।

মুশফিকুর রহিমঃ

একটা সময় তিন ফরম্যাটেই জাতীয় দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়লেও দিন দিন পরিনত হয়েছেন মুশফিক।

এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি ভেবেছিল তবে শেষ পর্যন্ত তাকে দলে নেয়া হয়নি। মুশফিকের অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন হয়ত হতে পারে আইপিএলের পরবর্তী আসরেই।

তামিম ইকবালঃ

দেশের হয়ে তিন ফরম্যাটি সর্বাধিক রান সংগ্রাহক হওয়ার রেকর্ড গড়া তামিম ইকবাল আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়ার্সের হয়ে একবার খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।

তবে ডাগ আউটে বসে গোটা আসর পার করে দেয়া তামিম শেষের দিকে চলে এসেছিলেন দেশে। আইপিএলে সুযোগ না পেলেও ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এবং সদ্য সমাপ্ত পাকিস্তান সুপার লিগে খেলেছেন তামিম। আগামীতে হয়ত ভাগ্য খুলে যেতে পারে আইপিএলেরও।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদঃ

সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে যে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কতটা ধারালো সেটা দেখা গিয়েছে এবারের বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টে। জেমকন খুলনার জার্সিতে দলকে জিতিয়েছেন শিরোপা।

এছাড়া পাকিস্তান সুপার লিগ বা পিএসএলে খেলার সুযোগ এসেছিল তার। তবে কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের বিমান ধরতে পারেননি তিনি।

অন্যদিকে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও সাইলেন্ট কিলার খ্যাত রিয়াদ ডাক পাচ্ছেন নিয়মিতই। রিয়াদের ভক্তরা তাই আইপিএলের মঞ্চে তাকে দেখার আশা করতেই পারেন!

About অজয়

Check Also

পাকিস্তানি ক্রিকেটার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও যেভাবে আইপিএল খেলবেন মোহাম্মদ আমির

বেশ কিছুদিন হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অভিমান করেই অবসর নিয়েছেন পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমির। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *