আমি ৩০ বছর আগেই টি-২০ খেলে ফেলেছিঃ মোহাম্মদ রফিক

টি-টোয়েন্টি যুগের অংশ ছিলেন তিনিও। বিশ্বে যখন টি-টোয়েন্টির জয়ধ্বনি শোনা যাচ্ছে, তখন তার ক্যারিয়ার শেষ গগণে।

দেশের হয়ে তাই মাত্র একটি টি-টোয়েন্টি খেলা হয়েছে। এর বাইরে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন কেবল সাতটি। আঁটসাঁট বোলিং ও মারকুটে ব্যাটিং নিয়েও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মাতাতে পারেননি বলে অবশ্য আফসোস নেই রফিকের।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে অবিস্মরণীয় অবদানের কারণে তিনি কিংবদন্তিতুল্য। উত্থানের যুগেই তার ধুন্ধুমার ব্যাটিং আর বাঁহাতি স্পিনের সত্তা বিনোদন দিয়েছে সমর্থকদের।

রফিক মনে করেন, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলেও টি-টোয়েন্টির মত করেই তিনি খেলেছেন এই ফরম্যাট উদ্ভাবনের বহু আগে।

সম্প্রতি রফিক বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে এখন যে মারমুখী খেলা দেখছেন এটা আমি আরও ৩০ বছর আগেই খেলেছি।

আমি যতবার এক রান নিয়েছি তার চেয়ে তিনগুণ বা পাঁচগুণ বেশি হয়ত চার-ছক্কাই মেরেছি। এটা আমার স্বভাবেই ছিল। আমার হিসাবে টি-টোয়েন্টি আমি ৩০ বছর আগেই খেলে ফেলেছি। সুতরাং এখন ওরকম হতাশা নেই।’

রফিকের হতাশা না থাকার কারণ আছে আরও একটি- তার কাছে টেস্ট ও ওয়ানডেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এই দুই ফরম্যাটে তিনি সাধ মিটিয়ে খেলেছেন।

রফিক বলেন, ‘খেলোয়াড়রা এখন টি-টোয়েন্টির দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু টি-টোয়েন্টিই তো শেষ কথা নয়। টি-টোয়েন্টির কারণে খেলোয়াড়রা টেস্ট ও ওয়ানডেতে অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে।

তাই এই দুই ফরম্যাট নিয়েও চিন্তা করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখলে বাকি দুই ফরম্যাট অটোমেটিক বেঁচে থাকবে। টেস্ট হারিয়ে গেলে সীমিত ওভারও একসময় হারিয়ে যাবে।’

‘আমাদের আগে টেস্টের চিন্তা করা উচিৎ। তারপর ওয়ানডে, তারপর টি-টোয়েন্টি।’– বলেন তিনি।

About অজয়

Check Also

তামিমের পরে ১ নাম্বার ব্যাটসম্যানের নাম জানালেন আশরাফুল

দলে সুযোগ না পেয়ে কোচের উপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস। বিদেশি কোচের কথায় তাকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *