Breaking News

নেদার‌ল্যান্ড এর সাথে হেসে খেলে জিতল আয়ারল্যান্ড

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের তৃতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হয়েছিল আয়ারল্যান্ড। এ ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন আইরিশ বোলার কার্টিস ক্যাম্ফার। তার অনন্য কীর্তির দিনে হেসে খেলে জিতেছে আইরিশরা।
আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারের শেষ বলে অল আউট হওয়ার আগে ১০৬ রান সংগ্রহ করেছিল নেদারল্যান্ডস। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আয়ারল্যান্ড। বাকী ছিল আরো ২৯ বল।

আয়ারল্যান্ডের হয়ে রান তাড়া করতে নামেন পল স্টার্লিং ও কেভিন ও ব্রায়েন। দলীয় ২৭ ও ব্যক্তিগত ৯ রানে ব্র্যান্ডন গ্লোভারের বলে আউট হন কেভিন। একটু পরই ফ্রেড ক্লাসেনের বলে সাজঘরে ফেরেন ৮ রান করা আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি।

এ সময় নেদারল্যান্ডস ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ার আভাস দিলেও তা নস্যাৎ করে দেন স্টার্লিং ও গ্যারেথ ডিলানি। দুজনে গড়েন ৫৯ রানের জুটি। সিলারের বলে ডিলানি যখন ৪৪ রানে বোল্ড হন, দলের জয় তখন একদম নিশ্চিত।

এর আগে আবু ধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক পিটার সিলার। দলের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ম্যাক্স ও-ডৌড ও বেন কুপার। রানের খাতা খোলার আগেই রান আউট হন কুপার।

বাস ডি লিড ৭ রানে আউট হওয়ার পর কলিন আকারম্যানকে নিয়ে ইনিংস মেরামতে মনোযোগী হন ম্যাক্স। দুজনের ব্যাটে যখন বড় কিছুর স্বপ্ন দেখছে নেদারল্যান্ডস, তখনই দৃশ্যপটে ক্যাম্ফারের আবির্ভাব।

নেদারল্যান্ডসের ইনিংসের দশম ওভারে ধ্বংসযজ্ঞ চালান ক্যাম্ফার। সেই ওভারের দ্বিতীয় বলে কলিন অ্যাকারম্যানকে উইকেটকিপার রকের তালুবন্দী করেন ক্যাম্ফার। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমে সিদ্ধান্ত বদল হয়।

পরের বলেই রায়ান টেন ডোশাটেকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন ক্যাম্ফার। স্কট অ্যাডওয়ার্ডসকেও একইভাবে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। তবে এ ক্ষেত্রেও ডিআরএসে বদলেছে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত।

টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এর আগে ২০০৯ সালের আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লি।

পরের বলে ভান ডার মারউইকে বোল্ড করে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেট ইতিহাসের তৃতীয় বোলার হিসেবে টানা চার বলে ৪ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন ক্যাম্ফার। এছাড়া টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে টানা চার বলে চার উইকেট নেয়ার রেকর্ড এটি।

২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেই প্রথম এই কীর্তি গড়েছিলেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। একই বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা চার বলে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন শ্রীলংকার লাসিথ মালিঙ্গা।

দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে একদম কোণঠাসা হয়ে পড়ে নেদারল্যান্ডস। দলের বিপর্যয়ের মুখে ৫১ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন ম্যাক্স। শেষদিকে পিটার সিলারের ২১ রানের ইনিংসে সম্মানজনক সংগ্রহ পায় ডাচরা।

আয়ারল্যান্ডের হয়ে ক্যাম্ফার ৪ উইকেট নেন। এছাড়া মার্ক আদাইর তিনটি ও জশ লিটল একটি উইকেট নেন।

About Polash

Check Also

দ্বিতীয় টেস্ট পাকিস্তানের বিপক্ষে আশার আলো খুজে পাচ্ছে মমিনুল

অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসানের প্রত্যাবর্তনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে অধিনায়ক মোমিনুল হক বলেছেন এর ফলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *